ডেক্সটপ কেনার পূর্বশর্ত!

আমাদের দেশে ল্যাপটপের চেয়ে ডেক্সটপ কম্পিউটারের প্রচলন বেশি। প্রথম কারন হতে পারে, ডেক্সটপ পিসি আমাদের মাঝে আগে এসেছে। দ্বিতীয় কারন হতে পারে, ডেক্সটপ ব্যবহার করা অনেক বেশি আরামদায়ক, কারন খুব দ্রুত গতিতে কাজ করা যায়। ব্যক্তিগত ভাবে, আমার কিন্তু ল্যাপটপের চেয়ে ডেক্সটপ কম্পিউটার বেশি উপকারি মনে হয়। সে যাই হোক, ডেক্সটপ পিসি কিনতে গেলে আপনি কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন! –

নতুন ডেক্সটপ কেনার সময় আপনি অনায়াসে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন…..

Processor:

প্রসেসর কম্পিউটারের প্রধান জিনিস। এটিই কম্পিউটারের সকল কাজ করে থাকে। মূলত একেই CPU (Central Processing Unit) বলা হয়ে থাকে। প্রসেসর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Intel (Integrated Electronics) এবং AMD (Advanced Micro Device)। দুইটাই ভালো, তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রযুক্তির দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে Intel ।

  • মূলত আপনার কাজের ধরন বুঝে, প্রসেসরের clock speed কত, সেটা লক্ষ্য করতে হবে। ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসরের প্রসেসিং ক্ষমতাও তত বেশি হবে।
  • খেয়াল করতে হবে- প্রসেসরটি কোন সিরিজের। সিরিজ যত উন্নত হবে, স্পিড তত বাড়বে। বর্তমানে Core-i-series এর প্রসেসর বাজারে চলছে। Intel এর প্রথম দিককার প্রসেসরের মধ্যে রয়েছে Pentium Series গুলো। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে এসেছে, Celeron series, Core Series, i Series। Pentium Series এর মধ্যে, P1 (Pentium 1) এর চাইতে P2 ভালো, P2 এর চাইতে P3 ভালো আবার, P3 এর চাইতে P4 (Pentium 4) ভালো। অর্থাৎ, same clock speed এর P4> P3> P2> P1 । আবার, একইভাবে Pentium Series এর চাইতে Core-i-series এর স্পিড সবচেয়ে বেশি। Core series এর প্রসেসরগুলোর মধ্যে Core 2 Quad> Core 2 Duo> Dual Core. আবার core i series এর প্রসেসর গুলোর মধ্যে, Core i7 extreme > Core i7 > Core i5 > Core i3.
  • প্রসেসরে কয়টি কোর (core) এবং কয়টি থ্রেড (thread) রয়েছে, তা খেয়াল করতে হবে। কোর এবং থ্রেড এর সংখ্যা বেশি হলে স্পিড বাড়বে। এখন পর্যন্ত সবোর্চ্চ ছয়টি কোরের প্রসেসর আবিস্কৃত হয়েছে।
  • FSB (Front Serial Bus) এর পরিমাণ লক্ষ্য করতে হবে। FSB বেশি হলে স্পিড বেশি হবে। (যদিও নতুন প্রসেসর গুলোতে FSB ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে QPI ব্যবহৃত হয়।)
  • Cache Memory (ক্যাশ মেমরি) কত তা লক্ষ্য করতে হবে। ক্যাশ মেমরির মধ্যে প্রকারভেদ রয়েছে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ক্যাশ মেমরি হল L3 Cache. তাছাড়া, বাজারে এখনো L2 ক্যাশ মেমোরি প্রচলিত আছে, যা সাধারন ব্যবহারকারীদের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী।
  • Hyper Threading Technology রয়েছে কিনা, লক্ষ্য রাখবেন। এ প্রযুক্তি Multitasking এর ক্ষেত্রে কার্যকরী ভুমিকা রাখে।
  • Intel Processor এর ক্ষেত্রে Turbo Boost Technology রয়েছে কি না, তা লক্ষ্য রাখবেন। এই প্রযুক্তি প্রয়োজনের সময় প্রসেসরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারে।
  • GPU (Graphics Processing Unit) রয়েছে কি না, দেখবেন। প্রসেসরে GPU থাকলে এবং ভালো মাদারবোর্ড ব্যবহার করলে External Graphics Card দরকার হয়না।

Image

Motherboard:

এই বোর্ডটিতেই কম্পিউটারের সকল যন্ত্রাংশ যুক্ত থাকে। মেইনবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হল: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি। মেইনবোর্ড অবশ্যই প্রসেসর সাপোর্টেড হতে হবে। মেইনবোর্ড এর পোর্ট দুই ধরনের হয়ঃ IDE এবং S-ATA। তবে বর্তমানে S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডই বেশি দেখা যায়। প্রায় সব S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডে অন্তত একটি IDE পোর্ট থাকে। প্রয়োজনে IDE to S-ATA converter ব্যবহারের মাধ্যমে S-ATA পোর্টের মেইনবোর্ডে IDE device ব্যবহার করা যায়। মেইনবোর্ড কেনার সময় যে যে বিষয় লক্ষ্য রাখবেন, তা হল:

১. মেইনবোর্ড যেনো প্রসেসর সমর্থিত হয়।

২. RAM এর ধরন। মেইনবোর্ডে RAM এর স্লট যেরকম হবে, সেই ধরনেরই RAM কিনতে হবে। সর্বাধুনিক RAM টাইপ হল DDR3।

৩. USB Port এর version কত? সর্বাধুনিক হল USB 3.0। কিন্তু বর্তমানে আমাদের সব USB পোর্ট-ই 2.0 Version.

৪. বর্তমানে সব মেইনবোর্ডেই LAN Card (Local Area Network Card) থাকে। তাছাড়া HD Audio এবং HD Video ও লক্ষ্য করা যায়। Integrated Graphics এর মান বেশি হলে ভালো হয়।

 Image

  • Monitor:

এটাই কম্পিউটারের প্রধান আউটপুট। মনিটরের জন্য ভালো ব্র্যান্ড গুলো হচ্ছে: Samsung, Dell, Philips, LG, Asus, HP, Fujitsu ইত্যাদি। মনিটর কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখবেন:

১. আপনার প্রয়োজন অনুসারে স্ক্রিন সাইজ সিলেক্ট করবেন। বর্তমানে অনেক মনিটরেই Built-in TV Tuner থাকে। একই সাথে কম্পিউটারের মনিটর এবং টিভির কাজ করবে। TV Tuner না থাকলে প্রয়োজন হলে আপনি পৃথকভাবে TV Tuner কিনতে পারবেন।

২. LCD মনিটর গুলো স্কয়ার এবং ওয়াইড স্ক্রিন এই দুই ধরনের হয়। আপনার কজের প্রয়োজন অনুসারে আপনি তা choose করতে পারেন। তবে, ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে, Wide Screen মনিটর কেনাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

৩. LCD এবং LED মনিটর এর পার্থক্য হল: LED (Light Emitting Diode) মনিটর হল উন্নত প্রকারের LCD (Liquid Crystal Display) মনিটর। তুলনামূলক ভাবে LED মনিটরে ভালো ছবি দেখা যায়। তাছাড়া LED মনিটরে দেখতেও সাচ্ছন্দ্য বোধ হয়, কারন এটাতে Angle of View বেশি হয়ে থাকে।

৪. কন্ট্রাস্ট রেশিও (Contrast Ratio) লক্ষ্য করবেন। এটি যত বেশি হবে, ছবির মান তত ভালো হবে অর্থাৎ ছবি শার্প আসবে।

৫. Response Time যত কম হবে, তত ভালো।

 Image

  • RAM (Random Access Memory):

RAM (Volatile Memory) কম্পিউটারের স্পিড বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। RAM এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে: Transcend, Twinmos, Apacer । RAM কেনার সময় এগুলো খেয়াল রাখবেন:

১. RAM এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে কম্পিউটারের স্পিড বাড়বে। অর্থাৎ, 2 GB RAM এর চেয়ে 4 GB RAM এর স্পিড বেশি হবে।

২. RAM এর Bus Speed বেশি হলে RAM এর ক্ষমতা বাড়বে।

৩. RAM এর ধরন উন্নত হলে তা কম্পিউটারের গতি আরও বৃদ্ধি করবে। যেমন, DDR3 RAM সমপরিমাণের DDR2 RAM এর চেয়ে শক্তিশালী। তবে মেইনবোর্ডে RAM এর স্লট যেমন হবে, সেই ধরনেরই RAM কিনতে হবে।

 Image

  • Hard Disk Drive (HDD):

কম্পিউটারের সব তথ্য জমা থাকে হার্ডডিস্কে । এটি কম্পিউটারের Virtual RAM হিসেবেও কাজ করে। এর ভালো ব্র্যান্ড হচ্ছে Samsung, Transcend ইত্যাদি। এটি কেনার সময় নিচের বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন:

১. সাধারণভাবেই, হার্ডডিস্ক এর স্টোরেজ ক্ষমতা বেশি হলে বেশি তথ্য জমা রাখতে পারবেন। বর্তমানে বাজারে 250 GB (Gigabyte) থেকে শুরু করে 3 TB (Terabyte) পর্যন্ত হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়।

২. হার্ডডিস্ক এর RPM (Revolutions Per Minute) বেশি হলে এর ডাটা ট্রান্সফার রেট বেশি হবে। Standard ‘RPM’ value হল 72rpm ।

৩. মেইনবোর্ডের পোর্ট S-ATA হলে হার্ডডিস্কও S-ATA ই কিনতে হবে।

৪. এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক এর ক্ষেত্রে, আপনার মেইনবোর্ড এ USB 3.0 থাকলে USB 3.0 হার্ডডিস্ক কেনাই ভালো। কেননা, কয়েক বছরের মধ্যেই USB 2.0 উধাও হয়ে USB 3.0 এর জায়গা নিয়ে নিবে। এক্ষেত্রে লক্ষণীয় যে: এক্সটার্নাল হার্ডডিস্ক স্হায়ী HDD এর ন্যায় ব্যবহার করা যায় না, তবে ইন্টার্নাল HDD, এক্সটার্নাল HDD এর ন্যায় ব্যবহার করা যায়।

 Image

  • Optical Disk Drive (ODD):

ODD হল সিডি/ডিভিডি প্লেয়ার/রাইটার। ODD এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: Samsung, Asus, Lite-On, Ben-Q, Sony ইত্যাদি। লক্ষ্য করুন:

১. বর্তমানে সিডি প্লেয়ার এবং ডিভিডি প্লেয়ার এর মূল্যে পার্থক্য খুবই কম। CD player, DVD play করতে পারেনা, কিন্তু DVD player, CD play করতে পারে।

২. আপনি চাইলে কয়েকশ টাকা বেশি দিয়ে Combo Drive অথবা DVD writer কিনতে পারেন। Combo drive হল সেইসব ODD যেগুলো CD Play, DVD play এবং CD write করতে পারে। আর DVD writer দিয়ে আপনি CD play, DVD play, CD write, DVD write সবই করতে পারবেন। তবে, Combo Drive না কেনাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।

৩. মেইনবোর্ড এর পোর্ট অনুসারে ODD কিনতে হবে। (অন্যথায় converter ব্যবহার করতে হবে)

৪. ODD এর speed বেশি হলে সিডি/ডিভিডি থেকে দ্রুত ডাটা রিড হবে এবং দ্রুত ডাটা রাইট হবে। যেমনঃ বর্তমানে একটি DVD Writer এর স্পিড 24X ।

 Image

  • Graphics Card বা AGP Card (Accelerated Graphics Port Card):

ভালো গেম খেলার জন্য বা গ্রাফিক্স ডিজাইনিং এর কাজের জন্য ভালো গ্রাফিক্স কার্ড অত্যন্ত প্রয়োজন। গ্রাফিক্স কার্ডের মধ্যে ভালো ব্র্যান্ড হল: Asus, Gigabyte, Sapphire ইত্যাদি। এটি কেনার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করবেন।

১. V-RAM বেশি হলে ভালো গ্রাফিক্স পাবেন।

২. সাধারণ র‍্যাম এর মতই V-RAM এর টাইপ উন্নত হলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।

৩. এছাড়াও Clock rate, Memory Bus ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিসের জন্যও গ্রাফিক্স কার্ডের ক্ষমতার পরিবর্তন হয়।

৪. আপনি যদি কোন নির্দিষ্ট গেম এর প্রতি আকৃষ্ট হন অথবা নির্দিষ্ট কোন সফটওয়্যার দিয়ে কাজ করেন, তবে সেই সফটওয়্যারের requirement অনুসারে নির্দিষ্ট চিপসেটের গ্রফিক্স কার্ড কিনবেন।

 Image

  • Casing:

কেসিং হল Mainboard, HDD, ODD সাজিয়ে রাখার জন্য বক্স। কেসিং এর জন্য ব্র্যান্ড অতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে Mercury এবং Gigabyte এর কেসিং গুলো ভালো হয়। কেসিং কেনার সময় নিচের বিষয়টি লক্ষ্য করবেন:

১. কেসিং এর দাম vary করে PSU (Power Supply Unit) এর জন্য। PSU যদি বেশি watt এর হয়, তবে PSU এর দাম বেড়ে যায়। ফলে কেসিং এর দাম বেড়ে যায়। আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী PSU select করবেন। যেমন, ভালো এবং বেশি পাওয়ারের এক্সটার্নাল গ্রাফিক্স কার্ড, বড় স্ক্রিনের মনিটর ব্যবহার করলে বেশি পাওয়ার এর পাওয়ার সাপ্লাই লাগবে।

 Image

  • Key Board:

কী-বোর্ড কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুইটা ইনপুট ডিভাইস এর মধ্যে এটি একটি। কী-বোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech, Deluxe, Mercury ইত্যাদি। এটি কেনার সময় লক্ষ্য করবেন বাংলা অক্ষর রয়েছে কিনা। (Unijoy বা Bijoy লে আউট-এ লেখার জন্য অপরিহার্য)।

 Image

  • Mouse:

অপর গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস হল Mouse। এর ভালো ব্র্যান্ড হল: A4Tech, Mercury ইত্যাদি।

১. কত DPI (Dots Per Inch) লক্ষ্য করবেন। DPI বেশি হলে সূক্ষ্ণ ভাবে মাউস দিয়ে কাজ করতে পারবেন।

২. ধরতে সুবিধা হয়, এমন মাউস কিনবেন। এছাড়া গেমারদের জন্য Gaming Mouse কিনতে পাওয়া যায়।

 Image

  • UPS (Uninterruptable Power Supply):

বাংলাদেশে ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য UPS যে অপরিহার্য তা বলার বাইরে। UPS কেনার সময় এগুলো লক্ষ্য করবেন:

১. দুই ধরনের UPS পাওয়া যায়। Online UPS এবং Offline UPS। এদের মধ্যে পার্থক্য হল, বিদ্যুৎ চলে গেলে Online UPS on হতে কোন সময় নেয় না, কিন্তু Offline UPS সামান্য সময় নেয়। সম্ভবনা কম হলেও এই সামান্য সময়ের মধ্যে কম্পিউটারের পাওয়ার চলে গিয়ে রি-স্টার্ট হতে পারে।

২. আপনার চাহিদা অনুযায়ী UPS এর পাওয়ার select করবেন। মনিটরের স্ক্রিন বড় হলে, বেশি পাওয়ারের গ্রাফিক্স কার্ড ব্যবহার করলে, উন্নত প্রসেসর হলে বেশি পাওয়ারের UPS প্রয়োজন। দোকানে আপনার কম্পিউটারের কনফিগারেশন বললে তারা সঠিক UPS দিতে পারবে।

৩. সাধারণত একটি UPS এর Back-up time ২০-২৫ মিনিট। এর চেয়ে বেশি Back-up time এর UPS কিনতে হলে মূল্য বেশি হবে।

৪. বর্তমানে UPS এর নতুন একটি option পাওয়া যায়, তাহলো Soft Landing। এর মানে হচ্ছে, Back-Up power শেষ হবার আগেই UPS আপনাকে একটি সতর্কীকরণ সিগন্যাল দিবে, এবং Back-Up power শেষ হলে UPS আপনার কম্পিউটার কে নিরাপদে Turn-Off করে দিবে।

 Image

  • TV- Tuner/ TV card:

কম্পিউটারের মনিটরকে একই সাথে টিভি দেখার কাজে ব্যবহার করতে প্রয়োজন। TV card এর জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল: Aver media, Real view, Gadmei ইত্যাদি। LCD/ LED টিভির মূল্য বেশি বলে অনেকেই LCD Monitor এবং TV Card কিনে টিভি দেখার পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন। তবে টিভি দেখাই যদি হয় আপনার উদ্দেশ্য, তবে LCD/ LED TV Monitor ই কিনুন। এতে ফলাফল ভালো পাবেন। TV Card এর সুবিধা হল, এর মাধ্যমে আপনি শুধু টিভিই দেখতে পাবেন না, আপনার পছন্দের অনুষ্ঠান রেকর্ড করে আপনার হার্ডডিস্ক এ জমা করে রাখতে পারবেন। TV tuner অবশ্যই মনিটরের রেজ্যুলেশন এর সাথে সামঞ্জস্য পূর্ণ হতে হবে।

 Image

  • Speaker:

কম্পিউটারের আরেকটি আউটপুট ডিভাইস। । স্পিকারের জন্য ভালো ব্র্যান্ড হল Altec Lansing, Creative, Microlab, Logitech ইত্যাদি। গানের প্রতি আপনার আসক্তি অনুযায়ী এটি কিনবেন। ২:১ এর স্পিকার হল মোট তিনটি স্পিকারের সমষ্টি, যার মধ্যে একটি বড় এবং অন্য দুইটি ছোট। বড়টি হল উফার (Woofer) এবং ছোটটি হল সাব উফার (Sub-woofer)। উফারটি Bass Sound এবং সাব উফারটি Treble প্রদান করে। গানে আপনার ভালো আসক্তি থাকলে এক্সটার্নাল সাউন্ড কার্ড কিনতে পারেন। তবে বর্তমান প্রায় সব মেইনবোর্ড এই 5:1 সাউন্ড কার্ড বিল্ট-ইন থাকে। ফলে আপনি অনায়াসে 5:1 স্পিকার ব্যবহার করতে পারবেন।

Image

সতর্কতাঃ

যেখান থেকে কিনছেন, সেই দোকান ক্রেতাদের কীরূপ গ্রাহক সেবা দেয় সেটা লক্ষ্য করুন। এক্ষেত্রে পরিচিতরা সাহায্য করতে পারে। বাজারে অনেক সময় খোলা হার্ডওয়্যার পাওয়া যায়। কমদামের লোভে এগুলো কখনোই কিনবেন না। আপনি কম্পিউটার এক্সপার্ট না হলে অন্তত:পক্ষে Processor, Mainboard, RAM, HDD, ODD, Graphics Card, Casing একই দোকান থেকে কিনবেন। তারাই এগুলো সঠিকভাবে configure করে দিবে।

আগ্রহ নিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

(আল রাশেদ/iRashed48)

Advertisements

About iRashed48 (AL-RASHED)

Every Eye has a Dream. I believe in Freedom.
This entry was posted in কম্পিউটার এবং টেকনোলজি and tagged , , , , , , , . Bookmark the permalink.

2 Responses to ডেক্সটপ কেনার পূর্বশর্ত!

  1. ভাই ল্যাপটপ ভাল হবে না কি ডেক্সটপ ভাল হবে???? কিন্তে চাই।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s